অনার্স ১ম বর্ষ ব্যবস্থাপনার নীতিমালা অধ্যায়-১ ব্যবস্থাপনার পরিচিতি গাইড PDF

Ahsan

অনার্স ১ম বর্ষ (ব্যবস্থাপনা বিভাগ) ব্যবস্থাপনার নীতিমালা  প্রথম অধ্যায় ব্যবস্থাপনার পরিচিতি  গাইড PDF

অনার্স ১ম বর্ষ ব্যবস্থাপনার নীতিমালা অধ্যায়-১ ব্যবস্থাপনার পরিচিতি গাইড PDF

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (National University) ব্যবস্থাপনা বিভাগের (Department of Management) অনার্স ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য আজকের বিশেষ আয়োজনে থাকছে— "ব্যবস্থাপনার নীতিমালা" (Principles of Management) বিষয়ের প্রথম অধ্যায় "ব্যবস্থাপনার পরিচিতি" (Introduction to Management)-এর সম্পূর্ণ গাইড পিডিএফ

পরীক্ষার সেরা প্রস্তুতির জন্য আমরা এই অধ্যায়ের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিগত পরিক্ষায় আসা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো উত্তরসহ অত্যন্ত সহজভাবে সাজিয়েছি। যারা এই গাইডটি অনলাইনে পড়তে বা অফলাইনে পড়ার জন্য PDF ডাউনলোড করতে চান, তাদের জন্য পোস্টের একদম শেষে ডাউনলোড লিংক দেওয়া হয়েছে। চলুন, মূল আলোচনায় যাওয়ার আগে এই অধ্যায়ের কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর দেখে নেওয়া যাক।


প্রশ্ন ॥১.০১॥ ব্যবস্থাপনা বলতে কী বুঝায়? [জা.বি. ২০১৬, ২০২০ (ব্যবস্থাপনা)] অথবা, ব্যবস্থাপনার সংজ্ঞা দাও। অথবা, তুমি কীভাবে ব্যবস্থাপনাকে সংজ্ঞায়িত করবে?


উত্তর : ভূমিকা : সংঘবদ্ধ মানবজীবনে ব্যবস্থাপনা একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সামষ্টিক প্রচেষ্টা যেখানে বিদ্যমান ব্যবস্থাপনার অস্তিত্ব ও উপস্থিতি সেখানে বিদ্যমান। কোনো প্রতিষ্ঠানের পূর্ব নির্ধারিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য জনশক্তি ও অন্যান্য বস্তুগত উপাদান; যেমন- যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল, অর্থ, পদ্ধতি ও বাজার প্রয়োজন হয়।

ব্যবস্থাপনার সংজ্ঞা : উপকরণসমূহের সর্বোচ্চ ব্যবহারের উদ্দেশ্যে পরিকল্পনা প্রণয়ন, সংগঠন, কর্মীসংস্থান, নির্দেশনা, সমন্বয়, প্রেষণা ও নিয়ন্ত্রণের মানবীয় প্রচেষ্টাকে ব্যবস্থাপনা বলে। ইংরেজি Management শব্দটির সমার্থক শব্দ হলো 'to handle' অর্থাৎ চালনা করা বা পরিচালনা। এই পরিচালনার সঙ্গে মানব যেমন সম্পৃক্ত, তেমনি অন্যান্য উপায়-উপকরণও জড়িত। এগুলো পরিচালনা সংক্রান্ত ব্যবস্থাপকের কাজকে ব্যবস্থাপনা বলে।

নিম্নে ব্যবস্থাপনার কয়েকটি জনপ্রিয় সংজ্ঞার উল্লেখ করা হলো : H. Fayol-এর মতে, “ব্যবস্থাপনা হলো পূর্বানুমান ও পরিকল্পনা করা, সংগঠিত করা, আদেশ-নির্দেশ দেওয়া, সমন্বয়সাধন ও নিয়ন্ত্রণ করা।” L.A. Allen-এর মতে, “ব্যবস্থাপক যা করেন তাই ব্যবস্থাপনা।” জর্জ টেরি-র মতে, “মানুষ ও অন্যান্য সম্পদসমূহ ব্যবহারের মাধ্যমে যে প্রক্রিয়ায় উদ্দেশ্যসমূহ নির্ধারণ ও উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য পরিকল্পনা, সংগঠন, কর্মীদের উৎসাহিতকরণ ও নিয়ন্ত্রণ কার্যাবলি সম্পাদন করা হয় তাকে ব্যবস্থাপনা বলে।” Peter Drucker-এর মতে, “ব্যবস্থাপনা হলো বহুবিধ উদ্দেশ্য অর্জনকারী এমন যন্ত্র যা ব্যবসায় পরিচালনা করে।” আমেরিকার ব্যবস্থাপনা সমিতির সংজ্ঞানুযায়ী, “মানুষ উদ্যম সংগঠিত ও পরিচালিত করার মাধ্যমে প্রাথমিক শক্তি সম্পদগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে মানবকুলের কল্যাণ সাধনে নিয়োজিত করার বিজ্ঞান বা কলাকে ব্যবস্থাপনা বলে।”

উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে, ব্যবস্থাপনা হলো প্রতিষ্ঠানের পূর্ব নির্ধারিত উদ্দেশ্য কার্যকরভাবে অর্জনের জন্য উপায়-উপকরণের যথাযথ ব্যবহার কল্পে পরিকল্পনা, সংগঠন, কর্মীসংস্থান, নির্দেশনা, প্রেষণা, সমন্বয়সাধন ও নিয়ন্ত্রণের সামাজিক প্রক্রিয়া।


প্রশ্ন ॥১.০২॥ ব্যবস্থাপনার প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর। [জা.বি. ২০১৭, ২০২১ (ব্যবস্থাপনা)] অথবা, ব্যবস্থাপনার প্রকৃতি আলোচনা কর।

উত্তর : ভূমিকা : প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্যার্জনে নিয়োজিত জনশক্তি ও উপায়-উপকরণের কার্যকর ব্যবহারে ব্যবস্থাপনা হলো একটি অতি অপরিহার্য সামাজিক প্রক্রিয়া। প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ও প্রকৃতির ভিন্নতার কারণে ব্যবস্থাপনার প্রকৃতিতে কিছুটা ভিন্নতা লক্ষ করা গেলেও সর্বত্রই ব্যবস্থাপনার কতিপয় সাধারণ বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়। নিম্নে এরূপ প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্যসমূহ উল্লেখ করা হলো :

১. প্রক্রিয়া বা কাজের সমাহার : ব্যবস্থাপনা হলো কতিপয় ধারাবাহিক কর্ম সমষ্টি বা কর্ম প্রক্রিয়া। Stoner ও অন্যদের মতে, প্রক্রিয়া হলো কর্ম সম্পাদন বা কর্ম-পরিচালনার প্রণালিবদ্ধ (ধারাবাহিক) পদ্ধতি বিশেষ। ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে লক্ষ্যার্জনের জন্য পরিকল্পনা থেকে শুরু করে সংগঠন, কর্মীসংস্থান, নির্দেশনা, প্রেষণা, সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ কার্যাদি পরস্পর সম্পর্ক রেখে ধারাবাহিকভাবে সম্পন্ন করা হয়।

২. সামাজিক প্রক্রিয়া বা কার্যক্রম : ব্যবস্থাপনা একটি প্রক্রিয়া এবং সেই সঙ্গে এটি একটি সামাজিক প্রক্রিয়া। কারণ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের জনশক্তিকে সংঘবদ্ধ করে তাদেরকে সমাজবদ্ধ করে, পারস্পরিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে পরস্পর সহযোগী করে তুলে এবং প্রত্যেকের পৃথক কর্মপ্রয়াসকে সমন্বিত করে ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্দেশ্য অর্জন সক্ষম করে তুলে।

৩. লক্ষ্যার্জনের উপায় : যেকোনো সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টার মূলে একটা লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য ক্রিয়াশীল থাকে। আর এ লক্ষ্যার্জনের জন্যই ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ কারণেই বিভিন্ন লেখক ব্যবস্থাপনাকে লক্ষ্যার্জনের উপায় হিসেবে গণ্য করেছেন। হগেটস বলেছেন, “ব্যবস্থাপনা হলো উদ্দেশ্য নির্ধারণ এবং কর্মীদের প্রচেষ্টাকে সমন্বিত করে তা অর্জনের একটি প্রক্রিয়া।”

৪. কাজ আদায়ের কৌশল : প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত উপায়-উপকরণের কার্যকর ব্যবহারের প্রতি ব্যবস্থাপনা গুরুত্বারোপ করে। আর এজন্য ব্যবস্থাপনা সবসময়ই প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত জনশক্তির কাছ থেকে যথাযথ কাজ আদায়ে সচেষ্ট থাকে। ব্যবস্থাপনার সকল কর্ম প্রচেষ্টাই জনশক্তির কাছ থেকে যথাযথ কাজ আদায়ের লক্ষ্যে পরিচালিত হয়। এ জন্যই L. Appley বলেছেন, “ব্যবস্থাপনা হলো অন্য লোকদের প্রচেষ্টার মাধ্যমে কাজ করিয়ে নেওয়া।”

৫. দলীয় কর্ম প্রচেষ্টার সঙ্গে সম্পৃক্ততা : যেকোনো দলীয় কর্মপ্রচেষ্টার ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হয়। ব্যক্তি যখন একা কোনো কিছু পাওয়ার জন্য প্রয়াস চালায় তখন ব্যবস্থাপনা বলে সেখানে কিছুই থাকে না। যখন এরূপ প্রচেষ্টায় অনেক লোক একত্রে কাজ করে তখন স্বাভাবিকভাবে সংগঠন প্রতিষ্ঠা লাভ করে ও এর পরিচালনার জন্য ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়ে। এভাবে দল, উপদলের সংখ্যা যতোই বাড়ে ব্যবস্থাপনা ততোই জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়। Terry ও Franklin তাই বলেছেন, “এটা সাধারণ যেকোনো ব্যবস্থাপনা দলীয় কার্যের সাথে সম্পৃক্ত।”

৬. অর্থনৈতিক সম্পদ : ব্যবস্থাপনা একটি মূল্যবান অর্থনৈতিক সম্পদ। সকল উপায়-উপকরণ কাম্য থাকার পরও ব্যবস্থাপনা সম্পদের অপ্রতুলতার কারণে বা অদক্ষতার কারণে লক্ষ্যার্জন সম্ভব হয় না। অনুন্নত দেশসমূহে অপর্যাপ্ত পরিচালনা এবং ব্যবস্থাপনার অদক্ষতা নির্ধারিত লক্ষ্যার্জনের প্রধান অন্তরায়। Herbison ও Myers এর মতে, “ব্যবসায়ে নিয়োজিত শ্রমশক্তি, উপকরণ ও পুঁজির ন্যায় একটি অর্থনৈতিক সম্পদ হলো ব্যবস্থাপনা।” সীমিত সম্পদকে সুষ্ঠুভাবে কাজে লাগিয়ে ব্যবস্থাপনা উদ্দেশ্যার্জনে মুখ্য শক্তির ভূমিকা পালন করে বিধায় Kreitner ব্যবস্থাপনাকে ফলিত অর্থনীতি হিসেবে গণ্য করেছেন।

৭. কর্তৃত্ব ও দায়িত্ব : ব্যবস্থাপনার সঙ্গে কর্তৃত্ব ও দায়িত্বের বিষয়টি অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। প্রতিষ্ঠানে ব্যবস্থাপনা যদি কর্তৃত্ব সম্পন্ন না হয় তবে তার পক্ষে সুষ্ঠুভাবে কর্তব্য সম্পাদন সম্ভব হয় না। উচ্চ পর্যায়ের ব্যবস্থাপকগণ যেমন উচ্চ মাত্রায় কর্তৃত্ব ভোগ করেন, তেমনি একবারে নিচের পর্যায়ে কর্মরত ফোরম্যান বা সুপারভাইজারগণ সীমিত কর্তৃত্ব ভোগ করেন। যে পর্যায়ে গিয়ে কোনো কর্মী কোনো কর্তৃত্ব ভোগ করে না, সেক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনার সঙ্গে তারা সম্পৃক্ত নয় ধরে নেওয়া হয়। কর্তৃত্বের সঙ্গে দায়িত্ব সম্পর্কযুক্ত। ব্যবস্থাপনার যে পর্যায়ে ব্যবস্থাপকগণ অধিক কর্তৃত্বশীল সেক্ষেত্রে তাদের দায়িত্ব অত্যধিক থাকে।

৮. সর্বজনীনতা : গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস বলেছিলেন, ব্যবস্থাপনা সর্বজনীন অর্থাৎ দলবদ্ধ যেকোনো প্রচেষ্টায় ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব অনস্বীকার্য। একটা পরিবার পরিচালনা পরিবার প্রধান-পিতা বা মাতা যেমন ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ও ব্যবস্থাপনার জ্ঞান প্রয়োগ করতে পারেন, তেমনি সমাজপতি, রাষ্ট্রপতি, শিল্পপতি, ব্যবসায়ী, সামাজিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক, উপকরণাদি সংগ্রহকরণ, পরিচালনা বা নির্দেশনা, নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি কার্য অপরিহার্য বিবেচিত হয়। তাছাড়া ব্যবস্থাপনার নীতিমালা সকল দেশে সকল যুগেই প্রায় সমভাবে প্রযোজ্য।

উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে, ব্যবস্থাপনা জ্ঞানের পৃথক ও সমৃদ্ধ একটি শাখা হিসেবে আধুনিক সভ্যতায় তার স্থান করে নিয়েছে। সম্পূর্ণ পেশা হিসেবে তা স্বীকৃতিপ্রাপ্ত না হলেও নানান প্রয়াস প্রচেষ্টার মাধ্যমে পৃথক পেশার মর্যাদার কাছাকাছি গিয়ে পৌঁছেছে। যেকোনো প্রতিষ্ঠানেই ব্যবস্থাপনা কার্যের আবশ্যকতা এর লক্ষ্যার্জনে আজ এক অপরিহার্য বিষয়। ব্যবস্থাপনার সাফল্যের ওপরই বর্তমান যেকোনো প্রতিষ্ঠানের সাফল্য ও অগ্রগতি নির্ভরশীল।


প্রশ্ন ॥১.০৩॥ ব্যবস্থাপনার প্রকারভেদ দেখাও।

উত্তর : ব্যবস্থাপনা হলো একটি সামাজিক প্রক্রিয়া যা অপরাপর লোকের সহায়তায় কার্যসম্পাদনের মাধ্যমে কোনো সংগঠনের পূর্ব নির্ধারিত অভীষ্ট লক্ষ্যার্জনে সহায়ক হয়। যুগে যুগে বিভিন্ন চিন্তাবিদ, বিশেষজ্ঞ, ব্যবস্থাপনা বিশারদ, মনোবিজ্ঞানী প্রমুখ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে গবেষণা চালিয়ে আসছে। এসব মনীষীগণ প্রত্যেকেই ব্যবস্থাপনাকে তাদের নিজস্ব দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করার প্রয়াস পেয়েছেন। এছাড়াও প্রতিষ্ঠান ও কার্য প্রকৃতিভেদে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রকৃতির ব্যবস্থাপনার প্রয়োগ ঘটেছে।

প্রখ্যাত ব্যবস্থাপনা বিশারদ রেনসিস লিকার্ট ব্যবস্থাপনাকে চারভাগে ভাগ করেছেন। 

যথা- (ক) শোষণমূলক স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনা; (খ) কল্যাণকামী স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনা; (গ) পরামর্শমূলক ব্যবস্থাপনা; (ঘ) অংশগ্রহণমূলক ব্যবস্থাপনা;

এছাড়া অধ্যাপক ডগলাস ম্যাকগ্রেগর ব্যবস্থাপনাকে দু'ভাগে ভাগ করেছেন। 

যথা- (ক) 'এক্স' তত্ত্বের ব্যবস্থাপনা; (খ) 'ওয়াই' তত্ত্বের ব্যবস্থাপনা;

ব্যবস্থাপনার এ বহুমুখী প্রকৃতির জন্য একে সুনির্দিষ্টভাবে বিভক্ত করা সহজ নয়। তবে মোটামুটিভাবে প্রকৃতিগত ও কর্তৃত্ব ব্যবহারের ধরনের দিক হতে ব্যবস্থাপনাকে তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়। 

যথা- ১. গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনা; ২. স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনা; ৩. অনিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনা;

ব্যবস্থাপনায় এ তিন ধরনের ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন প্রকারভেদ রয়েছে। নিম্নে চিত্রের সাহায্যে ব্যবস্থাপনার এই প্রকারভেদ দেখানো হলো :

ব্যবস্থাপনা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনা: (ক) উদ্দেশ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনা, (খ) ব্যতিক্রমভিত্তিক ব্যবস্থাপনা, (গ) অংশগ্রহণমূলক ব্যবস্থাপনা, (ঘ) পরামর্শমূলক ব্যবস্থাপনা, (ঙ) কর্মসূচিভিত্তিক ব্যবস্থাপনা, (চ) ওয়াই তত্ত্বের ব্যবস্থাপনা

স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনা: (ক) উৎপাদনকেন্দ্রিক ব্যবস্থাপনা, (খ) এক্স তত্ত্বের ব্যবস্থাপনা, (গ) আত্মকেন্দ্রিক ব্যবস্থাপনা 

অনিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনা: (ক) লাগামহীন ব্যবস্থাপনা, (খ) অভিমানভিত্তিক ব্যবস্থাপনা, (গ) আবেগভিত্তিক ব্যবস্থাপনা


অনার্স ১ম বর্ষ ব্যবস্থাপনার নীতিমালা অধ্যায়-১ ব্যবস্থাপনার পরিচিতি গাইড PDF

📥 PDF ডাউনলোড করুন

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Check Out
Ok, Go it!
Join