অনার্স ১ম বর্ষ ব্যবস্থাপনার নীতিমালা অধ্যায়ভিত্তিক বই PDF (Principles of Management)
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্স ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য “ব্যবস্থাপনার নীতিমালা” (Principles of Management ) একটি অত্যন্ত মৌলিক, আবশ্যকীয় ও ৪ ক্রেডিটের ১০০ নম্বরের বুনিয়াদি পাঠ্যবই। প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য অর্জন, দলগত কাজের সঠিক পরিচালনা এবং সফল নেতৃত্ব গঠনের জন্য এই কোর্সের গুরুত্ব অপরিসীম। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ অফিসিয়াল সিলেবাসের সাথে শতভাগ মিল রেখে সম্পূর্ণ বিষয়টিকে মোট ১১টি সুনির্দিষ্ট অধ্যায়ে ভাগ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাকে সহজ, গোছানো এবং প্রতিটি অধ্যায় আলাদাভাবে সহজে পড়ার সুবিধার্থে এখানে সম্পূর্ণ বইটির অধ্যায়ভিত্তিক পরিচ্ছন্ন ডিজিটাল পিডিএফ (PDF) সংস্করণ শেয়ার করা হলো।
একজন সফল প্রাতিষ্ঠানিক পরিচালক বা উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে ওঠার প্রথম ধাপ হলো ব্যবস্থাপনার সার্বিক নীতি ও প্রক্রিয়া গভীরভাবে অনুধাবন করা। এই বইটিতে ব্যবস্থাপনার বুনিয়াদি ধারণা থেকে শুরু করে ক্লাসিক্যাল চিন্তাধারা, পরিকল্পনা, সংগঠন কাঠামো, কর্মীসংস্থান, আধুনিক নেতৃত্ব, সমন্বয়, প্রেষণা তত্ত্ব, নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সরকারি ও বেসরকারি খাতের ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত চমৎকারভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। অনার্স ১ম বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ বা এ প্লাস (A+) অর্জনে প্রতিটি অধ্যায়ের তাত্ত্বিক ধারণা ও বিগত বছরের প্রশ্ন সমাধান আত্মস্থ করা অপরিহার্য।
কোর্স পরিচিতি ও ফাইনাল পরীক্ষার মানবণ্টন
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষার বিস্তারিত মানবণ্টন ও প্রশ্নের কাঠামো নিচে দেওয়া হলো:
- চূড়ান্ত লিখিত তত্ত্বীয় পরীক্ষা (৮০ নম্বর): জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক কেন্দ্রভিত্তিক এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং এর জন্য মোট সময় বরাদ্দ থাকে ৪ ঘণ্টা।
- কলেজের অভ্যন্তরীণ ধারাবাহিক মূল্যায়ন (২০ নম্বর): অবশিষ্ট ২০ নম্বর কলেজের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ইনকোর্স লিখিত পরীক্ষা, ক্লাস টেস্ট, অ্যাসাইনমেন্ট ও ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিতির ওপর প্রদান করা হয়।
- প্রশ্নের বিন্যাস ও কাঠামোগত সুবিধা: প্রশ্নপত্রে কোনো সনাতন ‘ক’, ‘খ’ বা ‘গ’ বিভাগ থাকে না। সম্পূর্ণ প্রশ্নপত্রে একত্রে মোট ১২টি প্রশ্ন ক্রমানুসারে সাজানো থাকে। কোনো নির্দিষ্ট বিভাগ থেকে বাধ্যতামূলক উত্তর করার বাধ্যবাধকতা নেই।
- উত্তর প্রদানের স্বাধীনতা: প্রদত্ত ১২টি প্রশ্নের মধ্য থেকে পরীক্ষার্থী তার সর্বাধিক আত্মবিশ্বাসী যেকোনো ৮টি প্রশ্নের উত্তর পছন্দমতো বেছে নিয়ে লিখতে পারবেন। প্রতিটি প্রশ্নের পূর্ণমান ১০ নম্বর (৮ × ১০ = ৮০)। অধিকাংশ প্রশ্নে (ক) ও (খ) অংশে ৪+৬ বা ৫+৫ নম্বর করে বিভক্ত থাকে, যা বেশি নম্বর তোলার জন্য দারুণ কার্যকর।
সিলেবাস অনুযায়ী সম্পূর্ণ ১১টি অধ্যায়ের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত সিলেবাসের প্রতিটি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয় ও গুরুত্বপূর্ণ টপিক নিচে বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হলো:
অধ্যায় ০১: ব্যবস্থাপনা পরিচিতি (Introduction to Management)
ব্যবস্থাপনার অর্থ, পরিধি বা আওতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক গুরুত্ব। ব্যবস্থাপনার ইতিহাস ও মূল নিয়মনীতি। ব্যবস্থাপনা কি বিজ্ঞান না কলা? ব্যবস্থাপনা কি একটি পেশা? ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনের মধ্যকার তুলনামূলক পার্থক্য। ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন স্তর ও ক্ষেত্র। ব্যবস্থাপনার মৌলিক কার্যাবলি—পরিকল্পনা, সংগঠন, কর্মীসংস্থান, নেতৃত্বদান, প্রেষণাদান ও নিয়ন্ত্রণ। এছাড়া জীবিকা নির্বাহের উপায় হিসেবে ব্যবস্থাপনা এবং বৈশ্বিক ব্যবস্থাপনার রূপরেখা এই অধ্যায়ে বিশদভাবে পড়ানো হয়।
অধ্যায় ০২: ব্যবস্থাপনার স্কুল বা মতবাদ (Schools of Management)
ব্যবস্থাপনার চিন্তাধারার ক্রমবিকাশ ও প্রাথমিক অবদান। এফ ডব্লিউ টেইলরের (F.W. Taylor) বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা মতবাদ এবং হেনরি ফেয়লের (Henri Fayol) প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার ১৪টি সার্বজনীন নীতি। মানবিক সম্পর্ক মতবাদ, আচরণ বিজ্ঞান মতবাদ, পরিমাণগত বা গাণিতিক মতবাদ, পদ্ধতি মতবাদ (Systems Approach), পরিস্থিতিগত মতবাদ (Contingency Approach) এবং আধুনিক সমসাময়িক মতবাদসমূহের তুলনামূলক বিশ্লেষণ এই অধ্যায়ের প্রধান উপজীব্য।
অধ্যায় ০৩: পরিকল্পনা (Planning)
পরিকল্পনার অর্থ, প্রকৃতি ও গুরুত্ব। বিভিন্ন প্রকার পরিকল্পনা—যেমন: স্থায়ী পরিকল্পনা, এককালীন পরিকল্পনা, কৌশলগত ও পরিচালন পরিকল্পনা। কার্যকর পরিকল্পনা প্রণয়নের ধারাবাহিক পদক্ষেপসমূহ। পরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তারকারী অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক উপাদানসমূহ। পরিকল্পনা প্রণয়নের আধুনিক কৌশল, পরিকল্পনার বাস্তব সীমাবদ্ধতা এবং পরিকল্পনাকে কার্যকর করার বাস্তবসম্মত উপায়।
অধ্যায় ০৪: সংগঠিতকরণ (Organizing)
সংগঠনের অর্থ, প্রকৃতি ও গুরুত্ব। ব্যবস্থাপনার পরিসর বা নিয়ন্ত্রণ পরিসর (Span of Management)। বিভিন্ন কাজের বিভাগীয়করণ (Departmentation)। কর্তৃত্ব ও দায়িত্বের ধারণা। সংগঠন কাঠামোর বিভিন্ন রূপ—সরলরৈখিক সংগঠন, উপদেষ্টা সংগঠন, কার্যভিত্তিক সংগঠন ও কমিটি সংগঠন। এছাড়া কর্তৃত্ব অর্পণ (Delegation of Authority), কর্তৃত্বের বিকেন্দ্রীকরণ এবং সংগঠন গঠনের ক্ষেত্রে সাধারণ সমস্যা ও প্রতিকার।
অধ্যায় ০৫: কর্মীসংস্থান (Staffing)
কর্মীসংস্থানের অর্থ, উদ্দেশ্য ও প্রাতিষ্ঠানিক গুরুত্ব। সম্ভাব্য কর্মীসংগ্রহের বিভিন্ন উৎস (অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক)। কর্মী নির্বাচনের আধুনিক পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকার পদ্ধতি। কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ ও তার বিভিন্ন কৌশল (কাজে রেখে প্রশিক্ষণ ও কাজের বাইরে প্রশিক্ষণ)। পদোন্নতির ভিত্তি (জ্যেষ্ঠতা বনাম যোগ্যতা), ব্যবস্থাপক উন্নয়ন এবং ব্যবস্থাপক তালিকা (Manager Inventory Chart) ব্যবহারের নিয়ম।
অধ্যায় ০৬: নেতৃত্বদান (Leading)
নেতৃত্বের অর্থ ও প্রতিষ্ঠানের জন্য এর অপরিহার্যতা। সফল নেতৃত্বের আবশ্যকীয় গুণাবলি ও উপাদানসমূহ। নেতৃত্বের বিভিন্ন প্রকারভেদ বা ধরন—স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব, গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব এবং মুক্ত বা লাগামহীন নেতৃত্ব। এছাড়া ব্ল্যাক ও মাউটের ম্যানেজেরিয়াল গ্রিড দৃষ্টিভঙ্গি (Managerial Grid Approach) এবং নেতৃত্বের বিখ্যাত তত্ত্বসমূহ (বৈশিষ্ট্য তত্ত্ব, আচরণগত তত্ত্ব ও পরিস্থিতিগত তত্ত্ব)।
অধ্যায় ০৭: সমন্বয় (Coordination)
সমন্বয়সাধনের অর্থ, মৌলিক বৈশিষ্ট্য ও প্রয়োজনীয়তা। প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগ ও উপ-বিভাগের কার্যাবলির মধ্যে ঐক্য আনয়নে সমন্বয়ের ভূমিকা। কার্যকর সমন্বয়ের নীতি ও পূর্বশর্তসমূহ এবং প্রাতিষ্ঠানিক কার্যাবলি সুশৃঙ্খল রাখতে সমন্বয়ের আধুনিক কলাকৌশল ও যোগাযোগ ব্যবস্থা।
অধ্যায় ০৮: প্রেষণাদান (Motivating)
প্রেষণা ও উদ্দীপকের সংজ্ঞা, পার্থক্য ও গুরুত্ব। অভাব-সন্তুষ্টি ও চাহিদা শিকল (Need-Want-Satisfaction Chain)। বিখ্যাত প্রেষণা তত্ত্বসমূহ: ডগলাস ম্যাকগ্রেগরের X ও Y তত্ত্ব, আব্রাহাম ম্যাসলোর চাহিদাসোপান তত্ত্ব (Need Hierarchy Theory), ফ্রেডরিক হার্জবার্গের দ্বি-উপাদান তত্ত্ব (Two-Factor Theory), ভিক্টর ভ্রুমের প্রত্যাশা তত্ত্ব (Expectancy Theory) এবং ডেভিড ম্যাকক্লিল্যান্ডের অর্জন তত্ত্ব। আর্থিক ও অনার্থিক বিভিন্ন প্রেষণাদান কৌশল।
অধ্যায় ০৯: নিয়ন্ত্রণ (Controlling)
নিয়ন্ত্রণের অর্থ, প্রকৃতি ও গুরুত্ব। ব্যবস্থাপনার চক্রে নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধারাবাহিক ধাপ (আদর্শ মান নির্ধারণ, বাস্তব কার্যফল পরিমাপ, আদর্শ মানের সাথে বাস্তব ফলের তুলনা, বিচ্যুতি বিশ্লেষণ ও সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ)। একটি কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার অত্যাবশ্যকীয় শর্তসমূহ এবং আধুনিক নিয়ন্ত্রণ কৌশল (বাজেটীয় নিয়ন্ত্রণ, ব্রেক-ইভেন অ্যানালাইসিস, পার্ট ও সিপিএম নেটওয়ার্ক)।
অধ্যায় ১০: ব্যবস্থাপনার বিশেষায়িত ক্ষেত্রসমূহ (Specialized Areas of Management)
ব্যবস্থাপনার আধুনিক প্রয়োগিক ক্ষেত্রসমূহ। মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা (HRM), কৌশলগত ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাপনা (Strategic & International Management), ক্ষুদ্র ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা (Small Business Management), প্রকল্প ব্যবস্থাপনা (Project Management), বাজারজাতকরণ ব্যবস্থাপনা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনার মৌলিক পরিচিতি ও কার্যপদ্ধতি।
অধ্যায় ১১: বাংলাদেশে ব্যবস্থাপনা (Management in Bangladesh)
বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থার স্বরূপ। বেসরকারি খাতের ব্যবস্থাপনা বনাম সরকারি খাতের ব্যবস্থাপনার তুলনামূলক আলোচনা। প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা ও কার্যকারিতার ঘাটতি এবং তার কারণ। সরকারি করপোরেশনসমূহের ব্যবস্থাপনা কাঠামো, আমলাতান্ত্রিক প্রভাব এবং উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশে দক্ষ ব্যবস্থাপক তৈরির সুযোগ ও প্রতিবন্ধকতা।
ফাইনাল পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর (A+) পাওয়ার পরীক্ষিত কৌশল
ব্যবস্থাপনার নীতিমালায় ভালো গ্রেড নিশ্চিত করার জন্য সাধারণ তাত্ত্বিক লেখার চেয়ে কৌশলগত উপস্থাপনা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নিচে ৩টি কার্যকর টিপস দেওয়া হলো:
১. ডায়াগ্রাম ও চার্ট অঙ্কন করা
ম্যাসলোর চাহিদাসোপান, নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া, সাংগঠনিক কাঠামো কিংবা ব্ল্যাক ও মাউটের ম্যানেজেরিয়াল গ্রিড সংক্রান্ত প্রশ্নে অবশ্যই পেন্সিল দিয়ে পরিচ্ছন্ন চিত্র ও ফ্লোচার্ট এঁকে দিন। চিত্রসহ উত্তর লিখলে পরীক্ষক পূর্ণ নম্বর প্রদান করেন।
২. তাত্ত্বিক সংজ্ঞা ও মূল ইংরেজি পরিভাষা ব্যবহার
এফ ডব্লিউ টেইলর, হেনরি ফেয়ল কিংবা পিটার এফ ড্রাকারের মতো বিখ্যাত ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞদের প্রদত্ত প্রামাণ্য সংজ্ঞা কোটেশন আকারে তুলে ধরুন। মূল পয়েন্টগুলোর পাশে ইংরেজি পরিভাষা উল্লেখ করলে লেখার মান বৃদ্ধি পায়।
৩. ৪ ঘণ্টার সময়ের সঠিক বণ্টন
৮টি প্রশ্নের জন্য মোট সময় ২৪০ মিনিট। প্রতিটি ১০ নম্বরের প্রশ্নের জন্য ঘড়ি ধরে ২৫ থেকে ২৭ মিনিট বরাদ্দ রাখুন। ভূমিকা, পয়েন্টভিত্তিক ব্যাখ্যা ও উপসংহার সহকারে উত্তর শেষ করুন।
অধ্যায়ভিত্তিক ডাউনলোড লিঙ্ক
নিচের টেবিলে প্রতিটি অধ্যায়ের নামের পাশে থাকা লাল রঙের PDF আইকনে ক্লিক করে সরাসরি ফাইলটি মোবাইল বা কম্পিউটারে পড়তে কিংবা ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করে নিতে পারেন:
| ডাউনলোড করার নিয়ম: আপনি যে ফাইলটি ডাউনলোড বা পড়তে চান, তার ডানপাশের পিডিএফ আইকনে ক্লিক করুন। পিডিএফ আইকনে ক্লিক করার পর একটি বিজ্ঞাপন আসতে পারে, তাই ব্যাক (Back) দিয়ে আবার ক্লিক করবেন। এরপর ফাইলটি ওপেন হবে এবং আপনি সরাসরি এখানে পড়তে পারবেন। আর যদি ডাউনলোড করতে চান, তবে ব্রাউজারের ওপরের থ্রি-ডট (⋮) বা ডাউনলোড আইকনে ক্লিক করলেই ফাইলটি আপনার ডিভাইসে সেভ হয়ে যাবে। |
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)
১. এই অধ্যায়গুলো কি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ পাঠ্যক্রম অনুযায়ী সাজানো?
হ্যাঁ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষ কারিকুলামের অফিসিয়াল সিলেবাস (Paper Code: 212609) হুবহু অনুসরণ করে মোট ১১টি অধ্যায় ক্রমানুসারে সাজানো হয়েছে।
২. পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে কি কোনো বাধ্যতামূলক বিভাগ থাকে?
না, প্রশ্নপত্রে কোনো বিভাগ থাকে না। মোট ১২টি প্রশ্ন ক্রমানুসারে দেওয়া থাকে এবং সেখান থেকে যেকোনো ৮টি প্রশ্নের উত্তর পছন্দমতো বেছে লেখার পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে।
৩. ফাইলগুলো কি স্মার্টফোনে সংরক্ষণ করে অফলাইনে পড়া যাবে?
হ্যাঁ, প্রতিটি অধ্যায়ের পিডিএফ ফাইল সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ডাউনলোড করে যেকোনো সময় ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই আপনার ডিভাইসে অনায়াসে পড়তে পারবেন।
৪. বড় প্রশ্নের উত্তরে কীভাবে সর্বোচ্চ নম্বর নিশ্চিত করা যায়?
ভূমিকা ও উপসংহার সহ মূল বিষয়গুলো বুলেট পয়েন্টে লেখা, বিশেষজ্ঞদের ইংরেজি কোটেশন এবং প্রাসঙ্গিক ডায়াগ্রাম বা ফ্লোচার্ট ব্যবহার করলে পরীক্ষক সর্বোচ্চ নম্বর প্রদান করেন।
৫. ডাউনলোডের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হলে করণীয় কী?
ডাউনলোড আইকনে ক্লিক করার পর বিজ্ঞাপন আসলে ব্যাক (Back) দিয়ে আবার ক্লিক করবেন। এরপর ফাইলটি চালু হলে ওপরের থ্রি-ডট (⋮) অপশন থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।
