দুই বিঘা জমি
(অষ্টম শ্রেণি – বাংলা সাহিত্য কণিকা)
একদিন চির-পরিচিত গ্রামে সে ফিরে আসে। গ্রামের অন্য সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও তার ভিটে আজ নিশ্চিহ্ন। কিন্তু হঠাৎ সে লক্ষ করে তার ছোট বেলার স্মৃতি-বিজড়িত সেই আম গাছটি এখনো আছে। সেই আম গাছের ছায়াতলে বসে ক্লান্ত-শ্রান্ত উপেন পরম শান্তি অনুভব করে। তার মনে পড়ে, ঝড়ের দিনে কত না আম সে কুড়িয়েছে এখানে। হঠাৎ বাতাসের ঝাপটায় দুটি পাকা আম পড়ে তার কোলের কাছে। আম দুটিকে সে জননীর স্নেহের দান মনে করে গ্রহণ করে। কিন্তু তখনই ছুটে আসে মালী। উপেনকে সে আম-চোর বলে গালিগালাজ করতে থাকে। উপেনকে জমিদারের নিকট হাজির করা হয়। উপেন জমিদারের কাছে আম ভিক্ষা হিসেবে চাইলে জমিদার তাকে সাধুবেশী চোর বলে মিথ্যা অপবাদ দেয়।
এই কবিতার মাধ্যমে কবি দেখাতে চেয়েছেন, সমাজে এক শ্রেণির লুটেরা বিত্তবান প্রবল প্রতাপ নিয়ে বাস করে। তারা সাধারণ মানুষের সম্পদ লুট করে সম্পদশালী হয়। তারা অর্থ, শক্তি ও দাপটের জোরে অন্যায়কে ন্যায়, ন্যায়কে অন্যায় বলে প্রতিষ্ঠা করে। ‘দুই বিঘা জমি’ কবিতাটিতে কবি এদের স্বরূপ তুলে ধরেছেন।
- নাম: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- জন্ম: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দের ৭ই মে (২৫শে বৈশাখ, ১২৬৮ বঙ্গাব্দ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- শিক্ষা: ছেলেবেলায় বিদ্যালয়ের বাঁধাধরা পড়াশোনায় তাঁর মন বসেনি। ওরিয়েন্টাল সেমিনারি, নরমাল স্কুল, বেঙ্গল একাডেমি—এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলেও পাঠ শেষ করার আগেই তিনি সেসব ছেড়ে দেন। ছোটবেলা থেকেই তাঁর কবি-প্রতিভার উন্মেষ ঘটে।
- সাহিত্যকর্ম: সাহিত্যের সকল শাখায় অসামান্য দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি। কবিতা, সঙ্গীত, ছোটগল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, ভ্রমণকাহিনী, রম্যরচনা ইত্যাদি সাহিত্যের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর পদচারণা ছিল স্বচ্ছন্দ, উজ্জ্বল। তিনি একাধারে কবি, দার্শনিক, গীতিকার, সুরকার, শিক্ষাবিদ, চিত্রশিল্পী, নাট্য-প্রযোজক ও অভিনেতা।
- নোবেল পুরস্কার: ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজ কবি ইউবিইয়েটস-এর সহযোগিতায় ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ (Song Offerings) করার জন্য তিনি এশীয়দের মধ্যে প্রথম সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- জাতীয় সংগীত: আমাদের জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা’ তাঁরই লেখা।
- মৃত্যু: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দের ৭ই আগস্ট (২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।
১. ‘দুই বিঘা জমি’ কোন ধরনের কবিতা?
উত্তর: (ক) কাহিনি-কবিতা২. ‘সেই মনে পড়ে জ্যৈষ্ঠের ঝড়ে রাত্রে নাহিকো ঘুম’— পঙ্ক্তিটিতে যে ভাব প্রকাশ পেয়েছে তা হলো—
উত্তর: (ক) স্মৃতিকাতরতা৩. বাবু সাহেবের সম্পত্তি-আকাঙ্ক্ষা ফুটে উঠেছে যে চরণে, তা হচ্ছে—
i. বাবু কহিলেন, বুঝেছ উপেন, এ জমি লইব কিনে
ii. পেলে দুই বিঘে, প্রস্থে ও দিঘে সমান হইবে টানা
iii. এ জগতে হায়, সেই বেশি চায় আছে যার ভূরি ভূরি
নিচের কোনটি ঠিক?
রাজিব সাহেব এক যুগ আগে আমেরিকায় গিয়ে প্রচুর বিত্ত-বৈভবের মালিক হয়েছেন। কিন্তু তারপরও তার মনে সুখ নেই। সেখানকার পরিবেশ, প্রকৃতি, মানুষজন কোনো কিছুই তাকে আকৃষ্ট করে না। সারাক্ষণ মনটা পড়ে থাকে আঁকা-বাঁকা মেঠো পথের ধারের কুঁড়েঘরে, যেখানে কেটেছে তার শৈশব, কৈশোরের সোনালি সময়।
৪. উদ্দীপকে রাজিব সাহেবের মানসিকতায় ‘দুই বিঘা জমি’ কবিতার কোন অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তর: (ক) স্বদেশপ্রীতি৫. উক্ত অনুভূতি নিচের কোন চরণে ফুটে উঠেছে?
উত্তর: (ঘ) তবু নিশিদিনে ভুলিতে পারিনে, সেই দুই বিঘা জমি।উদ্দীপক: গাজীপুর চৌরাস্তার কাছে মতিন মিয়ার ছোট্ট এক চায়ের দোকান। আর দোকানের পাশেই ‘ক’ হাউজিং সোসাইটির বিশালাকার অ্যাপার্টমেন্ট গড়ে উঠেছে। একদিন সকালে মতিন দেখে, তার দোকান অ্যাপার্টমেন্টের সীমানা প্রাচীরের মধ্যে আটকে গেছে। সে বুঝে গেল আর কিছুই করার নেই। উপায়ান্তর না দেখে সে রাস্তায় রাস্তায় ফ্লাস্কে করে চা বিক্রি করে সংসার চালায় আর উদাস দৃষ্টিতে গগনচুম্বি অট্টালিকাগুলোর দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে।
‘দুই বিঘা জমি’ কবিতায় উপেন মন্তব্য করেছে যে, এ জগতে যার যত বেশি সম্পদ আছে, সে আরও বেশি চায়। আর এই চাওয়া পূরণ করতে গিয়ে তারা গরিবের সামান্য সম্পদটুকুও কেড়ে নেয়। জমিদার যেমন তার বিশাল বাগানের শখ মেটাতে উপেনের শেষ সম্বল দুই বিঘা জমি মিথ্যে ডিক্রি করে দখল করে নিয়েছিল, তেমনি সমাজের উঁচুতলার মানুষরা বা ‘রাজারা’ এভাবেই কাঙাল বা গরিবের ধন চুরি করে নিজেদের সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলে। এটি সমাজের শোষক শ্রেণির চিরন্তন স্বভাব।
‘দুই বিঘা জমি’ কবিতায় বাবু সাহেব ছিলেন এক প্রতাপশালী জমিদার। তাঁর জমির কোনো অভাব ছিল না, তবুও বাগানের দৈর্ঘ্য-প্রস্থ সমান করার শখে তিনি গরিব প্রজা উপেনের শেষ সম্বল দুই বিঘা জমিটি গ্রাস করতে চান। উপেন জমি দিতে রাজি না হলে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে মিথ্যা মামলার মাধ্যমে সেই জমি দখল করে নেন। বাবু সাহেবের চরিত্রে আমরা দেখি সীমাহীন লোভ এবং দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার।
উদ্দীপকের ‘ক’ হাউজিং সোসাইটিও একই মানসিকতার পরিচয় দিয়েছে। তারা বিশাল অ্যাপার্টমেন্ট তৈরি করার সময় গরিব মতিন মিয়ার ছোট্ট চায়ের দোকানটি নিজেদের সীমানা প্রাচীরের মধ্যে ঢুকিয়ে নিয়েছে। মতিনের মতো একজন সামান্য চায়ের দোকানদারের শেষ সম্বলটুকু কেড়ে নিতে তাদের বিবেকে বাধেনি। বাবু সাহেব যেমন উপেনকে ভিটেছাড়া করেছিলেন, হাউজিং সোসাইটিও তেমনি মতিনকে তার দোকান থেকে উচ্ছেদ করে রাস্তায় নামিয়ে দিয়েছে। উভয় ক্ষেত্রেই বিত্তবানদের দ্বারা বিত্তহীনদের সম্পদ জবরদখল এবং শোষণের চিত্র ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, হাউজিং সোসাইটির কার্যক্রমে বাবু সাহেবের সেই শোষক ও দখলদার রূপটিই স্পষ্টভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
‘দুই বিঘা জমি’ কবিতায় উপেন ছিল একজন প্রান্তিক কৃষক। ঋণের দায়ে তার সব জমি গেলেও শেষ সম্বল হিসেবে ছিল পৈতৃক ভিটা দুই বিঘা জমি। কিন্তু জমিদারের লোভের আগুন থেকে সেটুকুও রক্ষা পায়নি। জমিদার ছলে-বলে-কৌশলে সেই জমি কেড়ে নিলে উপেন ভিখারিতে পরিণত হয় এবং পথে পথে ঘুরতে বাধ্য হয়। উপেনের দীর্ঘশ্বাস আর হাহাকার শোষিত মানুষের বেদনার প্রতীক।
অন্যদিকে, উদ্দীপকের মতিন মিয়াও একজন খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। তার সম্বল ছিল কেবল একটি ছোট্ট চায়ের দোকান। কিন্তু ‘ক’ হাউজিং সোসাইটির আগ্রাসনে সে তার দোকানটি হারায়। উপেনের মতোই মতিনও তার শেষ সম্বল হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়ে। উপেন যেমন জমি হারিয়ে সন্ন্যাসী বেশে গ্রাম-গ্রামান্তরে ঘুরেছে, মতিনও তেমনি দোকান হারিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ফ্লাস্কে চা বিক্রি করে বেড়াচ্ছে।
উভয় চরিত্রের পরিণতি একই—তারা তাদের ভিটেমাটি বা কর্মসংস্থান হারিয়েছে বিত্তবানদের লোভের কারণে। উপেন তার জমির দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলত, আর মতিন তার বেদখল হওয়া জায়গার ওপর গড়া অট্টালিকার দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে। স্থান, কাল ও পাত্র ভিন্ন হলেও তাদের বঞ্চনার ইতিহাস এক। সমাজের প্রভাবশালীরা যে যুগে যুগে এভাবেই দুর্বলের ওপর আঘাত হানে, মতিন ও উপেন উভয়েই সেই সত্যের সাক্ষী। তাই শোষিত, বঞ্চিত ও নিগৃহীত শ্রেণির প্রতিনিধি হিসেবে মতিন নিঃসন্দেহে উপেনেরই এক আধুনিক সংস্করণ বা সার্থক প্রতিনিধি।
১. ‘দুই বিঘা জমি’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
উত্তর: (খ) চিত্রা২. উপেনের ঋণের দায়ে কী বিক্রি হয়ে গিয়েছিল?
উত্তর: (গ) সব জমি (দুই বিঘা ছাড়া)৩. জমিদার বাবু জমিটি নিতে চেয়েছিলেন কেন?
উত্তর: (খ) বাগান করার জন্য৪. উপেন কত বছর পর নিজ গ্রামে ফিরে এসেছিল?
উত্তর: (গ) পনেরো-ষোল৫. উপেনের কোলের কাছে কয়টি আম পড়েছিল?
উত্তর: (খ) দুটি৬. ‘পারিষদ’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: (খ) মোসাহেব বা পার্শ্বচর৭. মালী উপেনকে কী বলে গালি দিয়েছিল?
উত্তর: (গ) আম-চোর৮. ‘ধাম’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: (খ) তীর্থস্থান৯. বাবু উপেনকে শেষ পর্যন্ত কী উপাধি দিয়েছিলেন?
উত্তর: (গ) সাধুবেশী চোর১০. ‘উড়ে’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: (খ) ভারতের উড়িষ্যা বা ওড়িয়া প্রদেশের লোক- ১. প্রশ্ন: ‘দুই বিঘা জমি’ কবিতাটি কার লেখা?
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। - ২. প্রশ্ন: উপেনের জমিটি দৈর্ঘ্যে ও প্রস্থে কেমন ছিল?
উত্তর: দৈর্ঘ্যে ও প্রস্থে সমান ছিল না, জমিদার তা সমান করতে চেয়েছিলেন। - ৩. প্রশ্ন: জমিদার জমিটি কেনার জন্য প্রথমে কী প্রস্তাব দিয়েছিলেন?
উত্তর: জমিদার প্রথমে জমিটি কিনে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন (টাকা দিয়ে)। - ৪. প্রশ্ন: উপেন জমি দিতে অস্বীকার করলে জমিদার কী করেছিলেন?
উত্তর: জমিদার মিথ্যে ঋণের দায়ে ডিক্রি জারি করে জমিটি দখল করে নিয়েছিলেন। - ৫. প্রশ্ন: উপেন সন্ন্যাসী বেশে কোথায় ঘুরে বেড়িয়েছিল?
উত্তর: দেশে দেশে, বিভিন্ন তীর্থস্থানে ও নগরে। - ৬. প্রশ্ন: গ্রামের বাড়ি ফিরে উপেন তার স্মৃতিবিজড়িত কোন গাছটি দেখতে পায়?
উত্তর: একটি আম গাছ। - ৭. প্রশ্ন: আম গাছটিকে উপেন কী মনে করেছিল?
উত্তর: আম গাছটিকে উপেন স্নেহময়ী জননী বা মাতা মনে করেছিল। - ৮. প্রশ্ন: আম দুটি পড়ার পর উপেন সেগুলোকে কী মনে করে গ্রহণ করেছিল?
উত্তর: জননীর স্নেহের দান মনে করে। - ৯. প্রশ্ন: জমিদার তখন কী করছিলেন?
উত্তর: জমিদার তখন পারিষদদের নিয়ে মাছ ধরছিলেন। - ১০. প্রশ্ন: কবিতার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় কী?
উত্তর: শোষক শ্রেণির শোষণ, নিষ্ঠুরতা এবং গরিবের অসহায়ত্ব ও দেশপ্রেম।
উদ্দীপক: রহিম শেখের পৈতৃক ভিটা বলতে ছিল কেবল একটি পুকুর আর তার পাড়। গ্রামের প্রভাবশালী জোতদার তার ফিশারি প্রজেক্ট বড় করার জন্য রহিম শেখের পুকুরটি দখল করতে চাইল। রহিম রাজি না হওয়ায় জোতদার তাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে গ্রামছাড়া করল। বহু বছর পর রহিম গ্রামে ফিরে দেখে তার পুকুর ভরাট করে মার্কেট তৈরি হয়েছে।
(ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
(খ) "এ জগতে হায়, সেই বেশি চায় আছে যার ভূরি ভূরি"— পঙক্তিটি বুঝিয়ে লেখো。
(গ) উদ্দীপকের জোতদারের সাথে ‘দুই বিঘা জমি’ কবিতার জমিদারের সাদৃশ্য আলোচনা করো。
(ঘ) "উদ্দীপকটি ‘দুই বিঘা জমি’ কবিতার খণ্ডচিত্র মাত্র, সমগ্র ভাব নয়"— উক্তিটি বিশ্লেষণ করো。
উদ্দীপক: প্রবাসী বন্ধু জনসনকে নিজের গ্রামের ছবি দেখাচ্ছে শুভ। ছবিতে দেখা যাচ্ছে সবুজ মাঠ, মেঠো পথ আর পুরনো একটি মাটির ঘর। শুভ বলে, "এই সেই ঘর যেখানে আমার জন্ম। শহরের বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে থাকি বটে, কিন্তু শান্তির খোঁজে মনটা বারবার এই মাটির ঘরেই ফিরে আসতে চায়।"
(ক) 'ডিক্রি' শব্দের অর্থ কী?
(খ) উপেন কেন জমি বিক্রি করতে চায়নি?
(গ) উদ্দীপকের শুভর অনুভূতির সাথে উপেনের অনুভূতির মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো。
(ঘ) "নাড়ির টানে মানুষ বারবার শেকড়ের কাছে ফিরে আসে"— ‘দুই বিঘা জমি’ কবিতার আলোকে মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো。
উদ্দীপক: একটি কারখানার মালিক তার কারখানা সম্প্রসারণের জন্য পাশের গরিব কৃষকের জমিটি নামমাত্র মূল্যে কিনে নিতে চাইল। কৃষক রাজি না হওয়ায় মালিক কারখানার বর্জ্য ফেলে কৃষকের জমিটি চাষাবাদের অনুপযুক্ত করে দিল। বাধ্য হয়ে কৃষক জমিটি পানির দরে মালিকের কাছে বিক্রি করে দিল।
(ক) 'ভুস্বামী' শব্দের অর্থ কী?
(খ) "তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ, আমি আজ চোর বটে!"— কেন বলা হয়েছে?
(গ) উদ্দীপকের কারখানা মালিকের আচরণের মধ্যে কবিতার জমিদারের চরিত্রের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?
(ঘ) "শোষক শ্রেণি যুগে যুগে এভাবেই শোষিতের সর্বস্ব লুটে নেয়"— উদ্দীপক ও কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করো。
