জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের Honours 1st year শিক্ষার্থীদের জন্য আজকের পোস্টে থাকছে অনার্স ১ম বর্ষের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ইউনিট ২ গাইড PDF। আমরা এখানে ইউনিট ২: কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর সম্পূর্ণ গাইড PDF নিয়ে এসেছি। পরীক্ষার সেরা প্রস্তুতির জন্য নিচে এই ইউনিট ২: কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার অধ্যায়ের গাইড পিডিএফ দেওয়া হলো। এছাড়া, যারা অনার্স ১ম বর্ষের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি গাইড PDF পড়তে বা ডাউনলোড করতে চান তাদের জন্য পোস্টের একদম শেষে অনার্স ১ম বর্ষের ICT গাইড বই পিডিএফ (PDF) ডাউনলোড লিংক দেওয়া আছে। চলুন আগে কিছু প্রশ্নোত্তর দেখে নেওয়া যাক!
ইউনিট-০২ কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার[Computer Hardware and Software]
কম্পিউটার হার্ডওয়্যার
প্রশ্ন ২.০১ ৷৷ হার্ডওয়্যার বলতে কী বুঝ?
অথবা, কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার বলতে কী বুঝ?
উত্তর : কম্পিউটার সিস্টেমের চারটি অংশ আছে। তার অন্যতম হচ্ছে হার্ডওয়্যার। হার্ডওয়্যার হচ্ছে কম্পিউটারের বাহ্যিক অবকাঠামো। নিচে হার্ডওয়্যারের সংজ্ঞা দেওয়া হলো :
❑ কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার : কম্পিউটারের বাহ্যিক অবকাঠামো বা বাহ্যিক আকৃতি সম্পন্ন সকল যন্ত্র, যন্ত্রাংশ, ডিভাইসসমূহকে হার্ডওয়্যার বলে। ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড প্রভৃতি যন্ত্রপাতি নিজে সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন ও সহায়তা করার জন্য রয়েছে অন্যান্য ডিভাইসসমূহ। যেমন— ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি যন্ত্রপাতি। এ সকল যন্ত্রপাতির সমন্বয়েই কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার গঠিত হয়। হার্ডওয়্যার হলো কম্পিউটারের বাহ্যিক কাঠামো যা স্পর্শ করা যায়।
প্রশ্ন ২.০২ ৷৷ কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর।
উত্তর : কম্পিউটারের যে সকল যান্ত্রিক অংশ থাকে, যা স্পর্শ করা যায়; যেমন— ইনপুট ইউনিট, আউটপুট ইউনিট, সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট প্রভৃতি তাকেই একত্রে হার্ডওয়্যার বলা হয়।
❑ কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের শ্রেণিবিভাগ : কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারসমূহকে তাদের কাজের ওপর ভিত্তি করে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা—
(ক) ইনপুট হার্ডওয়্যার;
(খ) প্রসেসিং হার্ডওয়্যার;
(গ) স্টোরেজ হার্ডওয়্যার ও
(ঘ) আউটপুট হার্ডওয়্যার।
(ক) ইনপুট হার্ডওয়্যার : কম্পিউটার দিয়ে কোনো কাজ করতে চাইলে প্রথমে এর ভিতরে তথ্য ঢোকাতে হবে। যেসব যন্ত্রপাতির মাধ্যমে কোনো নির্দেশ, ডাটা এবং প্রোগ্রাম কম্পিউটারে দেওয়া হয় সেসব যন্ত্রপাতিকে ইনপুট হার্ডওয়্যার বলে। যেমন— মাউস, কী-বোর্ড ইত্যাদি।
(খ) প্রসেসিং হার্ডওয়্যার : কম্পিউটার ডাটা প্রসেস করার ক্ষেত্রে কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে। সেগুলোকে প্রসেসিং হার্ডওয়্যার বলে। নিম্নে কয়েকটি প্রসেসিং হার্ডওয়্যারের নাম উল্লেখ করা হলো—
১. সিপিইউ (CPU),
২. মাইক্রোপ্রসেসর,
৩. মেমোরি,
৪. রম (ROM),
৫. ভিরাম (VRAM),
৬. বাস (BUS),
৭. মাদারবোর্ড,
৮. পোর্ট,
৯. পাওয়ার সাপ্লাই ইত্যাদি।
(গ) স্টোরেজ হার্ডওয়্যার : যে সকল যন্ত্রপাতির মধ্যে কম্পিউটার ডাটা বা তথ্য ধারণ বা সংরক্ষণ করে রাখে তাকে স্টোরেজ হার্ডওয়্যার বলে। এটাকে প্রধানত ২ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা :
১. প্রাথমিক মেমোরি ও
২. মাধ্যমিক মেমোরি।
(ঘ) আউটপুট হার্ডওয়্যার : ইনপুট প্রদানের পর প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পন্ন করে। কিন্তু ফলাফল ছাড়া সম্পূর্ণ কাজই অর্থহীন। ফলাফল পাওয়ার জন্য যে সকল যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয় সেগুলোকে আউটপুট হার্ডওয়্যার বলে। যেমন— মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি।
প্রশ্ন ২.০৩ ৷৷ হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ও ফার্মওয়্যার বলতে কী বুঝ?
অথবা, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ও ফার্মওয়্যার সম্বন্ধে সংক্ষেপে আলোচনা কর।
উত্তর : নিম্নে হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ও ফার্মওয়্যার সম্পর্কে আলোচনা করা হলো :
১. হার্ডওয়্যার : কম্পিউটারের বাহ্যিক অবকাঠামো বা বাহ্যিক আকৃতি সম্পন্ন সকল যন্ত্র, যন্ত্রাংশ, ডিভাইসসমূহকে হার্ডওয়্যার বলে। ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড, ডিস্ক ড্রাইভ, কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি যন্ত্রপাতি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার। হার্ডওয়্যার হচ্ছে কম্পিউটারের বাহ্যিক কাঠামো যা আমরা স্পর্শ করতে পারি। হার্ডওয়্যার ছাড়া সফটওয়্যার অর্থহীন।
২. সফটওয়্যার : প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টির মাধ্যমে হার্ডওয়্যারকে কার্যকর করে তাকেই সফটওয়্যার বলে। বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ্লিকেশন যেমন— MS Office, Adobe Photoshop, Visual Basic ইত্যাদি এবং বিভিন্ন ধরনের অপারেটিং সিস্টেম যেমন— MS Windows 9x/2k, UNIX, Macos ইত্যাদি সফটওয়্যার। সফটওয়্যারের কোন বাহ্যিক কাঠামো নেই। তাই একে আমরা স্পর্শ করতে পারি না। সফটওয়্যার ছাড়া হার্ডওয়্যার অচল। অর্থাৎ এরা একে অন্যের পরিপূরক।
৩. ফার্মওয়্যার : কম্পিউটার তৈরির সময় তাকে পরিচালনা করার জন্য স্থায়ীভাবে রাখা দরকার এমন সব নির্দেশ কম্পিউটার প্রস্তুতকারক কোম্পানি স্থায়ীভাবে কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে দেওয়া একে ফার্মওয়্যার বলে। ফার্মওয়্যার প্রোগ্রামসমূহ ব্যবহার করা যায়; তবে মুছে ফেলা যায় না বা কোন রকম পরিবর্তন করা যায় না। কম্পিউটারের বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার পর ফার্মওয়্যার প্রোগ্রাম সর্বপ্রথম সক্রিয় হয়ে অন্যান্য সফটওয়্যারকে কার্যোপযোগী করার জন্য প্রধান মেমোরিতে লাভ করে। যেমন— রস বায়োস একটি ফার্মওয়্যার।
উপরে দেওয়া প্রশ্নোত্তরগুলো এই অধ্যায়ের একটি ছোট অংশ মাত্র। পরীক্ষায় শতভাগ কমন পেতে এবং প্রতিটি টপিক বিস্তারিতভাবে পড়ার জন্য সম্পূর্ণ গাইড পড়া অত্যন্ত জরুরি।
নিচের ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করে Honours 1st Year ICT Guide PDF (Unit 2) সম্পূর্ণ ফ্রিতে ডাউনলোড করে নিন।
