পড়ে পাওয়া
(অষ্টম শ্রেণি – বাংলা সাহিত্য কণিকা)
- নাম: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
- জন্ম: ১৮৯৪ খ্রিষ্টাব্দে চব্বিশ পরগনা জেলার মুরারিপুর গ্রামে, মাতুলালয়ে। পৈতৃক বাড়ি চব্বিশ পরগনা জেলার ব্যারাকপুর গ্রামে।
- পেশা: শিক্ষকতা ও সাহিত্য সাধনা।
- বিখ্যাত উপন্যাস: ‘পথের পাঁচালী’ ও ‘অপরাজিত’।
- অন্যান্য রচনা: উপন্যাস— ‘আরণ্যক’, ‘ইছামতী’; গল্পগ্রন্থ— ‘মেঘমল্লার’, ‘মৌরীফুল’; কিশোর উপন্যাস— ‘চাঁদের পাহাড়’, ‘মিসমিদের কবচ’, ‘হীরামানিক জ্বলে’।
- মৃত্যু: ১৯৫০ খ্রিষ্টাব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
১. কাদের বাগানে আম কুড়াতে কালবৈশাখী উপেক্ষা করে সবাই ছুটছিল?
উত্তর: (খ) মুখুয্যেদের২. চাঁপাবতলীর আমের ব্যাপারে এত আগ্রহের কারণ তা—
i. প্রচুর পাওয়া যায়
ii. খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু
iii. নির্বিঘ্নে কুড়ানো যায়
নিচের কোনটি ঠিক?
৩. লেখকের চমৎকার অর্থে ব্যবহৃত 'দিব্যি' শব্দটি আমরা আর কোন অর্থে ব্যবহার করে থাকি?
উত্তর: (ক) শপথস্কুলের ঝাড়ুদার শচী। পরীক্ষা শেষে কক্ষ পরিষ্কার করতে গিয়ে সে একটি মূল্যবান ঘড়ি পেল। তার লোভ হলো। ভাবল, ঘড়িটা মেয়ের জামাইকে উপহার দেবে। মেয়ে নিশ্চয়ই খুব খুশি হবে। কিন্তু রাতে ঘুমুতে গিয়ে মনে হলো—এ অন্যায়, অনুচিত। যার ঘড়ি তার মনঃকষ্টের কারণে মেয়ের চরম অকল্যাণ হতে পারে। ঘড়িটা কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া তার কর্তব্য। সে পরদিন তা-ই করল।
৪. শচী 'পড়ে পাওয়া' গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিচ্ছবি?
উত্তর: (খ) বিধু৫. উল্লিখিত তুলনাটি কোন মানদণ্ডে বিচার্য? উভয়ই—
i. ন্যায় ও কর্তব্যবোধে উদ্বুদ্ধ
ii. লোকলজ্জার ভয়ে ভীত
iii. অকল্যাণ চিন্তায় তাড়িত
নিচের কোনটি ঠিক?
উদ্দীপক: আরিফ ট্যাক্সি ক্যাব চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। একবার একজন আরোহীকে গন্তব্যে পৌঁছে দিয়ে সে বিশ্রাম নিচ্ছিল। সহসা গাড়ির ভেতরে দৃষ্টি পড়তে সে দেখতে পেল একটি মানিব্যাগ সিটের ওপর পড়ে আছে। ব্যাগে অনেকগুলো ডলার। কিন্তু ব্যাগে কোনো ঠিকানা পাওয়া গেল না। সে সন্ধ্যা অবধি অপেক্ষা করল। নিরুপায় হয়ে সে পত্রিকা অফিসে গিয়ে সম্পাদককে একটি বিজ্ঞপ্তি ছাপিয়ে দেবার অনুরোধ জানায়।
বিধু ও তার বন্ধুরা যখন বাক্সটি ফেরত দেওয়ার জন্য গাছে বিজ্ঞাপন দেয়, তখন দুই-তিন দিন পর একজন কালো মতো রোগা লোক এসে বাক্সটি নিজের বলে দাবি করে। কিন্তু তার বর্ণনার সাথে (সে বলেছিল কাঠের বাক্স) আসল বাক্সের (টিনের বাক্স) মিল না থাকায় বিধু বুঝতে পারে লোকটি লোভী ও প্রতারক। বিধু জানত যে, টাকার লোভে এমন অনেক মিথ্যে দাবিদার আসবে। তাদের চিনে নিয়ে তাড়ানোর জন্যই বিধু বিজ্ঞের মতো এ উক্তিটি করেছিল, যা তার দূরদর্শী ও বিচক্ষণ চিন্তার পরিচয় দেয়।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে বিধু, বাদল ও তাদের বন্ধুরা ঝড়ের দিনে একটি টিনের ক্যাশ বাক্স কুড়িয়ে পায়। বাক্সের ভেতরে মূল্যবান সম্পদ থাকার সম্ভাবনা থাকলেও তারা লোভে পড়েনি। বরং তারা শপথ করেছিল যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করে বাক্সটি ফেরত দেবে। এই নৈতিকতা ও সততাই গল্পের মূল উপজীব্য।
একইভাবে উদ্দীপকের আরিফ একজন সাধারণ ট্যাক্সি চালক হয়েও গাড়িতে পাওয়া ডলারভর্তি মানিব্যাগটি আত্মসাৎ করেনি। সে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেছে এবং মালিককে খুঁজে পেতে পত্রিকার মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। গল্পের কিশোররা যেমন বাক্সটি ফেরত দেওয়ার জন্য বুদ্ধি খাটিয়ে গাছে বিজ্ঞাপন দিয়েছিল, আরিফও তেমনি মালিক খোঁজার আপ্রাণ চেষ্টা করেছে। তাই লোভ সংবরণ করা এবং অন্যের সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়ার যে মানসিকতা, সেই যুক্তিতেই আরিফ এবং গল্পের বিধুরা একই কাতারের মানুষ।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের মূল সুর হলো—মানুষের বয়স বা অবস্থান যা-ই হোক না কেন, নৈতিকতা ও সততাই তাকে বড় করে তোলে। গল্পে একদল কিশোর ঝড়ের রাতে কুড়িয়ে পাওয়া সম্পদ লোভের বশবর্তী হয়ে নিজেদের করে নেয়নি। তারা অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সাথে প্রকৃত মালিক কাপালিকে খুঁজে বের করে এবং তার হারানো সম্বল ফিরিয়ে দেয়। এর মাধ্যমে তাদের উন্নত মানবিক বোধ, নির্লোভ মানসিকতা এবং দায়িত্বশীলতার পরিচয় পাওয়া যায়।
অন্যদিকে, উদ্দীপকের আরিফ একজন সামান্য ট্যাক্সি চালক। তার সামনে সুযোগ ছিল যাত্রীর ফেলে যাওয়া ডলারভর্তি ব্যাগটি নিয়ে নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করার। কিন্তু সে তা করেনি। বরং সে মালিককে খোঁজার জন্য নিজের সময় ও শ্রম ব্যয় করেছে। আরিফের এই কর্মের পরিধি গল্পের কিশোরদের দীর্ঘ অভিযানের মতো বিশাল না হলেও, তার কাজের পেছনের চেতনাটি হুবহু এক। উভয় ক্ষেত্রেই ‘পরের ধনে লোভ না করা’ এবং ‘প্রকৃত মালিককে প্রাপ্য ফিরিয়ে দেওয়া’—এই শাশ্বত নৈতিকতা প্রকাশ পেয়েছে।
উদ্দীপক: সন্ধ্যায় দেখা গেল, নিজেদের ছাগলের সাথে অতিরিক্ত একটি ছাগলও আখালে ঢুকছে। এশার নামাজ পার হয়ে গেল, কিন্তু কেউ খোঁজ নিতে এল না। দাদু বললেন, না, না, চুপ করে থাকা ঠিক হবে না। এক কাজ করো, রফিক-শফিক বেরিয়ে পড়ো। প্রতিবেশী নাবিল আর তালিমকে সাথে নিয়ে দুজন দুদিকে যেও। মসজিদ থেকে চোজ্লা নিয়ে গাঁয়ে ঘোষণা দিয়ে আসো। কিছুক্ষণের মধ্যে দু-ভাই দাদুর পরামর্শ মতো বলতে লাগল, ভাইসব, একটি ছাগল পাওয়া গেছে। যাদের ছাগল তারা দয়া করে মতিন শিকদারের বাড়ি থেকে নিয়ে যান।
গল্পে বাদল ও কথক (লেখক) যখন টিনের বাক্সটি কুড়িয়ে পায়, প্রথমে তারা ভেবেছিল এটি দিয়ে তারা অনেক কিছু করবে। কিন্তু পরক্ষণেই তাদের মনে হলো, অন্যের জিনিস নেওয়া ঠিক নয়, এতে অধর্ম হয়। এই যে হঠাৎ করে তাদের মনে পাপ-পুণ্যের ভয় এবং সততার উদয় হলো, একেই লেখক কৌতুক করে ‘ধার্মিক হয়ে ওঠা’ বলেছেন। মূলত তাদের বিবেকের জাগরণকেই এখানে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে কিশোররা কুড়িয়ে পাওয়া বাক্সের মালিককে খুঁজে বের করার জন্য একটি অভিনব পন্থা অবলম্বন করে। তারা বড় বড় করে কাগজে লিখে বেলের আঠা দিয়ে রাস্তার ধারের গাছে লাগিয়ে দেয়, যাতে প্রকৃত মালিক তা দেখে যোগাযোগ করতে পারে। এটি ছিল তাদের প্রচারের মাধ্যম।
উদ্দীপকে রফিক ও শফিক দাদুর পরামর্শে মসজিদে গিয়ে চোজ্লা বা মাইকে ঘোষণা দেয় যে একটি ছাগল পাওয়া গেছে। তাদের উদ্দেশ্যও ছিল একই—প্রকৃত মালিককে খবর পৌঁছে দেওয়া। গল্পের বিধুরা যেমন লিখিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রচার চালিয়েছে, উদ্দীপকের ভাইয়েরা তেমনি মৌখিক ঘোষণার মাধ্যমে প্রচার চালিয়েছে। উভয় ঘটনার মূল লক্ষ্য হলো ‘হারানো জিনিসের মালিককে খুঁজে বের করা’।
‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের মূল চেতনা হলো অন্যের সম্পদের প্রতি লোভ সংবরণ করা এবং দায়িত্বশীলতার সাথে তা মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া। গল্পে কিশোররা কোনো বয়োজ্যেষ্ঠ অভিভাবকের নির্দেশ ছাড়াই নিজেদের বিবেকের তাড়নায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে বাক্সের মালিককে খুঁজে বের করার সিদ্ধান্ত নেয়। তাদের নেতা বিধু অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে এই পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, দাদু চুপ করে বসে থাকতে নিষেধ করেন। তিনি নাতিদের নির্দেশ দেন যেন তারা অবিলম্বে ঘোষণা দিয়ে মালিককে খুঁজে বের করে। দাদুর এই নির্দেশনার মধ্যে সততার শিক্ষা এবং সামাজিক দায়িত্ববোধ প্রকাশ পায়। তিনি পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ হিসেবে নতুন প্রজন্মের মধ্যে সঠিক মূল্যবোধ ছড়িয়ে দিচ্ছেন।
গল্পে কিশোররা স্ব-প্রণোদিত হয়ে যে নৈতিকতার পরিচয় দিয়েছে, উদ্দীপকে দাদু সেই নৈতিকতারই পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করেছেন। দাদুর চরিত্রটি গল্পের সেই অদৃশ্য নৈতিক শক্তির প্রতীক, যা মানুষকে অন্যায়ের পথ থেকে সরিয়ে ন্যায়ের পথে চালিত করে। তিনি সততার যে শিক্ষা রফিক-শফিককে দিয়েছেন, তা ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কিশোরদের কাজেরই প্রতিফলন। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের দাদু গল্পের মূল চেতনার সার্থক ধারক ও বাহক।
১. ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে কিশোরদের সর্দার বা দলনেতা কে ছিল?
উত্তর: (খ) বিধু২. কুড়িয়ে পাওয়া বাক্সে কী ছিল?
উত্তর: (খ) টাকা ও গহনা৩. বাক্সটি ফেরত দেওয়ার মিটিং কোথায় বসেছিল?
উত্তর: (খ) নাটমন্দিরের কোণে৪. কাপালিরা বন্যা শেষে কোথায় আশ্রয় নিয়েছিল?
উত্তর: (ঘ) গোয়ালদের চালাঘরে৫. বাক্সটি লুকিয়ে রাখা হয়েছিল কোথায়?
উত্তর: (খ) তেঁতুল গাছে৬. ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে কোন মাসের উল্লেখ আছে?
উত্তর: (গ) জ্যৈষ্ঠ৭. বিধু কান খাড়া করে কী শুনছিল?
উত্তর: (গ) মেঘের গুরুগুরু ডাক৮. অম্বরপুর চরের কাপালিরা কী দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করত?
উত্তর: (খ) তরকারি বেচে৯. ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে কে ঘুড়ির মাপে কাগজ কেটেছিল?
উত্তর: (গ) বাদল১০. বন্যায় ভেসে যাওয়া কাপালিদের ঘরের সংখ্যা কত ছিল?
উত্তর: (ক) দু-তিনখানা- ১. প্রশ্ন: বিধু বন্ধুদের নিয়ে কোন গাছের নিচে মিটিং করেছিল?
উত্তর: ভাঙা নাটমন্দিরের কোণে (বটগাছ বা আমতলায় নয়, মিটিং হয়েছিল নাটমন্দিরে)। - ২. প্রশ্ন: বাক্সের প্রকৃত মালিক কোন গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন?
উত্তর: অম্বরপুর চরের। - ৩. প্রশ্ন: বন্যায় নিরাশ্রয় হয়ে কাপালিরা কার চালাঘরে আশ্রয় নিয়েছিল?
উত্তর: নির্দিখোলার গোয়ালারাদের চালাঘরে। - ৪. প্রশ্ন: বাক্সে নগদ কত টাকা ছিল?
উত্তর: পটল-বেচা নগদ পঞ্চাশ টাকা। - ৫. প্রশ্ন: কাগজে কী আঠা দিয়ে বিজ্ঞপ্তি লাগানো হয়েছিল?
উত্তর: বেলের আঠা দিয়ে। - ৬. প্রশ্ন: বিধুর বুদ্ধিমত্তার পরিচয় কোথায় পাওয়া যায়?
উত্তর: বাক্সের প্রকৃত মালিক যাচাই করার কৌশলে। - ৭. প্রশ্ন: ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পটি কোন গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
উত্তর: ‘নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব’ গ্রন্থ থেকে। - ৮. প্রশ্ন: বিধু কীভাবে বুঝেছিল ঝড় আসবে?
উত্তর: পশ্চিম আকাশে ক্ষীণ মেঘের আওয়াজ বা গুরুগুরু ডাক শুনে। - ১০. প্রশ্ন: গল্পে কিশোররা বাক্সটি ফেরত দিয়ে কী পুরস্কার পেয়েছিল?
উত্তর: কোনো পার্থিব পুরস্কার নেয়নি, কেবল আত্মতৃপ্তি এবং মালিকের প্রাণখোলা আশীর্বাদ পেয়েছিল। - ১০. প্রশ্ন: বাক্সটি ফেরত দেওয়ার জন্য কিশোররা কয়টি কাগজ লিখেছিল?
উত্তর: তিনখানা কাগজ লিখেছিল।
উদ্দীপক: রিকশাচালক মতিন একদিন রিকশা পরিষ্কার করতে গিয়ে সিটের ফাঁকে একটি সোনার চেইন পেল। তার সংসারে অনেক অভাব, মেয়েটার অসুখ। চাইলেই চেইনটি বিক্রি করে সে অনেক টাকা পেতে পারত। কিন্তু সে তা না করে চেইনটি থানায় জমা দিল। পুলিশ চেইনের মালিককে খুঁজে বের করল। মালিক খুশি হয়ে মতিনকে কিছু টাকা দিতে চাইলে মতিন বলল, “বিনিময়ে কিছু পাওয়ার জন্য আমি এটা ফেরত দিইনি স্যার, এটা আমার দায়িত্ব।”
(ক) বিধু কোন মাসের দুপুরে আমতলায় গিয়েছিল?
(খ) “আমাদের ওপর ও বিশ্বাস করতে পারছে না”— কেন?
(গ) উদ্দীপকের মতিনের আচরণের সাথে ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কিশোরদের আচরণের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো。
(ঘ) “পুরস্কারের চেয়ে আত্মতৃপ্তিই বড়”— গল্প ও উদ্দীপকের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো。
উদ্দীপক: স্কুলের মাঠে একটি দামি ঘড়ি কুড়িয়ে পেল সজীব। সে প্রধান শিক্ষকের কাছে জমা দিল। পরদিন নোটিশ বোর্ডে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হলো। অনেকেই এসে ঘড়িটি নিজেদের দাবি করল। কিন্তু প্রধান শিক্ষক সবার কাছে ঘড়ির রং, মডেল এবং বিশেষ চিহ্নের বর্ণনা জানতে চাইলেন। কেউ সঠিক উত্তর দিতে পারল না। অবশেষে প্রকৃত মালিক সঠিক বর্ণনা দিয়ে ঘড়িটি নিয়ে গেল।
(ক) ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পে কে ঘুড়ির মাপে কাগজ কেটেছিল?
(খ) কালো রোগা লোকটিকে বিধু কেন তাড়িয়ে দিয়েছিল?
(গ) উদ্দীপকের প্রধান শিক্ষকের যাচাই প্রক্রিয়ার সাথে বিধুর যাচাই প্রক্রিয়ার মিল কোথায়? বর্ণনা করো。
(ঘ) “সততার পাশাপাশি বুদ্ধিমত্তাও প্রয়োজন”— ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের আলোকে মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো。
উদ্দীপক: সুমন ও তার বন্ধুরা পিকনিকে গিয়ে একটি মোবাইল ফোন কুড়িয়ে পায়। প্রথমে তারা ভাবল ফোনটি বিক্রি করে পিকনিকের আয়োজন আরও বড় করবে। কিন্তু সুমনের মনে খটকা লাগল। সে ভাবল, যার ফোন হারিয়েছে তার কত কষ্ট হচ্ছে। হয়তো জরুরি কোনো তথ্য আছে। সুমন বন্ধুদের বোঝাল। অবশেষে তারা ফোনটির মালিককে খুঁজে বের করে ফেরত দিল।
(ক) কাপালিদের গ্রাম কোথায় ছিল?
(খ) “অধর্ম করা হবে”— এ কথাটি কেন বলা হয়েছে?
(গ) উদ্দীপকের সুমনের বন্ধুদের সাথে ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের বাদলদের প্রাথমিক মানসিকতার তুলনা করো。
(ঘ) “কিশোর মনের দোদুল্যমানতা শেষে মানবতার জয়ে পর্যবসিত হয়”— গল্প ও উদ্দীপকের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো。
